
১৬ জুলাই ভোরে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি ইংল্যান্ড। এক গোল পিছিয়ে থেকে আর্জেন্টিনা টানা দুটি গোল করে জাদুকরী বড় উল্টে জয় তোলে। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে আর্জেন্টিনা ফাইনালে ওঠে।
এই ম্যাচে দুই দলই তীব্র শারীরিক লড়াইয়ে নামে। প্রথমার্ধে দুই দল মিলিয়ে ১৯টি ফাউল, অথচ মোট শট মাত্র তিন—স্কোর ০-০। দ্বিতীয়ার্ধে ইংল্যান্ড আগে ভাঙে। ৫৫ মিনিটে রজার্সের সেন্টারে গর্ডন পেছন থেকে উঠে এসে গোল করেন—ইংল্যান্ড ১-০ এগিয়ে।
এগিয়ে যাওয়ার পর ইংল্যান্ড কোচ টুহেল রক্ষণশীল হয়ে পড়েন; দল প্রায় আক্রমণ ছেড়ে পুরো লাইন পিছিয়ে ডিফেন্সে নামে। এরপর পিকফোর্ড টানা দুবার অসাধারণ সেভ করে আর্জেন্টিনার আক্রমণ ঠেকান।
৮৬ মিনিটে জাদু। মেসির অ্যাসিস্টে এনজো বিশ্বকাপযোগ্য গোল করে আর্জেন্টিনাকে সমতায় তোলেন। ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা হতাশ হয়ে পড়েন।

আর ছয় মিনিট পর—৯০+২ মিনিটে—আর্জেন্টিনা আবার জাদু দেখায়। আবারও মেসি, আবারও অ্যাসিস্ট; লাউতারোর সিদ্ধান্তকারী গোল! ২-১—আর্জেন্টিনা এগিয়ে; ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা মাটিতে বসে পড়েন।
শেষে আর্জেন্টিনা ২-১ ব্যবধানে বড় উল্টে জয় নিয়ে পরপর দুই বিশ্বকাপেই ফাইনালে ওঠে। ফাইনালে চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ স্পেন।

ইংল্যান্ড শেষ পর্যন্ত হাতছাড়া করে ফেলে; আর ৫২ বছরের টুহেলকেই এই পরাজয়ের দায় নিতে হবে—তাঁর রক্ষণশীলতাই চ্যাম্পিয়ন হতে চাওয়া ইংল্যান্ড দলকে বড় ধাক্কা দিয়েছে।

